ব্রাজিলিয়ানদের হারিয়ে কোয়ার্টারে বায়ার্ন মিউনিখ

ফুটবলে বায়ার্ন মিউনিখ যেমন পরিচিত নাম ফ্ল্যামেঙ্গো হয়ত ততটা নয়, ব্রাজিলিয়ান ক্লাব বলে হয়ত আবার অনেকে নামটা শুনে থাকবেন। শক্তির বিচারেও জার্মান চ্যাম্পিয়নরাই এগিয়ে। তবে ফ্ল্যামেঙ্গোকে ছোট করে দেখার কোনো কারণ নেই। বায়ার্নও তাই সতর্ক থেকেই জয়টা তুলে নিতে ভুল করেনি।
ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে গতকাল ২৯ জুন রাতে ফ্ল্যামেঙ্গোকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চত করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মান চ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি।
গ্রুপপর্বে ইংলিশ জায়ান্ট চেলসিকে হারিয়ে চমক দেখায় ফ্ল্যামেঙ্গো। এরপর তারা টেবিল টপার হয়েই পরের রাউন্ডে এসেছে। গতকালও রক্ষণভাগের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারলে জার্মান চ্যাম্পিয়নদেরও ভুগতে হতো। কেননা খেলার পরিসংখ্যান লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, ইউরোপিয়ান জায়ান্টরা শুধু গোল ব্যবধানেই এগিয়ে।
পুরো ম্যাচে বল দখল, আক্রমণ ও সুযোগ সৃষ্টিতে বায়ার্নের থেকে এগিয়েই ছিল ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটি। ৫১ শতাংশ বলের দখল রেখে ফ্ল্যামেঙ্গো ১২টি শট নিয়ে ৩টি লক্ষ্যে রাখে। এর বিপরীতে বায়ার্ন ৪৯ শতাংশ বলের দখল রেখে ৮টি শট নিয়ে ৪টি লক্ষ্যে রাখে।
বায়ার্নের হয়ে জোড়া গোল করেছেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড হ্যারি কেইন। ম্যাচের ৬ মিনিটেই এরিক পুলগারের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় বায়ার্ন মিউনিখ। এর ৩ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুন করেন কেইন। গেরসন ৩৩ মিনিটে একটি গোল শোধ করে ব্যবধান কমালে আবারও খেলায় ফিরে আসে ফ্ল্যামেঙ্গো। কিন্তু ৪১ মিনিটে ব্যবধান ৩-১ করেন লিওন গোরেৎজকার।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে ফ্ল্যামেঙ্গোর হয়ে পেনাল্টি থেকে গোল শোধ জর্জিনিও। ৩-২ ব্যবধানে খেলাটা ভালোই জমে উঠেছিল। কিন্তু ৭৩ মিনিটে হ্যারি কেইন নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল করে জয় নিশ্চিত করেন। রক্ষণভাগের দুর্বলতায় এদিন ভুগিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটিকে।